‘ভিনগ্রহী যান’! অপেক্ষা আনুষ্ঠানিক ঘোষণার

44

বহু যুগ ধরেই মহাকাশ এবং ভিনগ্রহের প্রাণীদের নিয়ে চর্চা এবং জল্পনা চলে আসছে। সম্প্রতি এই জল্পনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে মার্কিন বিজ্ঞানীর দাবি। 

সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভিনগ্রহী কোনো যানের সন্ধান পেয়েছে পেন্টাগন। প্রসঙ্গত, মার্কিন নৌবাহিনীর একটি গোপন শাখা ইউএফও সম্পর্কিত বিষয়ে গবেষণা করে। রিপোর্টে উল্লেখ, সম্প্রতি বেশ কিছু ঘটনার প্রেক্ষিতে তথ্য হাতে পেয়েছে ওই মার্কিন ইউনিট। তার ভিত্তিতেই ইউএফও সম্পর্কিত দাবি মার্কিন কংগ্রেসের ইন্টেলিজেন্স কমিটির কাছে জমা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা।

মহাকাশের অঘোষিত বস্তু সম্পর্কে গবেষণার লক্ষ্যে ২০১৯ সালে এই বিশেষ টাস্ক ফোর্স গঠন করা হয়েছিল। ইউএফও বা একই ধরনের গবেষণার পাশাপাশি মার্কিন সেনাকেও বিবিধ ভাবে সাহায্য করে এই সংস্থা। তাদের রিপোর্টও নিয়মিত জমা পড়ে পেন্টাগনের কাছে।

মার্কিন গবেষকদের বড় একটি অংশের বিশ্বাস, অতীতে পৃথিবীতে পা রেখেছিল ভিনগ্রহীরা। মার্কিন সেনার প্রাক্তন বিশেষজ্ঞ লুই এলিজোন্দোর মতে, এই বিষয়ে গবেষণা আর লুকিয়ে রাখার কোনো যুক্তি নেই। কেননা গবেষণায় স্বচ্ছতার প্রয়োজন রয়েছে।

পেন্টাগনের এই প্রাক্তন কর্মকর্তার দাবি, ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলের উপর আকাশে মার্কিন যুদ্ধ বিমানের সামনে চলে এসেছিল উড়ন্ত চাকি। ইউএফও গবেষণা নিয়ে একই ধারণা মার্কিন মুলুকের প্রাক্তন সিনেটর হ্যারি রিডের। ক্ষমতায় থাকার সময় ইউএফও গবেষণা নিয়ে জোর দিয়েছিলেন তিনি।

নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, গত মার্চেই পেন্টাগনকে লিখিত তথ্যে ইউএফও সম্ভাবনার কথা জানিয়েছিলেন জ্যোতির্বিজ্ঞানী তথা ২০০৭ থেকে মার্কিন মন্ত্রকের পরামর্শদাতা এরিক ডেভিস। তার রিপোর্টে উল্লেখিত অজানা বস্তুকে ‘পৃথিবীতে নির্মিত নয় এমন মহাজাগতিক যান’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়। মূলত এর পরপরই বিষয়টির গবেষণাতেও জোর দেওয়া হয়।

প্রসঙ্গত, গত সেপ্টেম্বর থেকে ইউএফও বিষয়ক আলোচনা এড়িয়ে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।

গোটা বিষয়ে আগ্রহী ইন্টেলিজেন্স কমিটির ভারপ্রাপ্ত সিনেটর মার্কো রুবিও। তার ভাষায়, বহির্বিশ্বের কিছু নিয়ে কথা বলার আগে নিশ্চিত হওয়া জরুরি। শেষে সেটা কোনো চীনা বা রাশিয়ান সেনার কাজ না হয়।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY